| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে ৪ শিক্ষককে মারধর

কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে ৪ শিক্ষককে মারধর

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগ তুলে ওই মাদ্রাসার ৪ শিক্ষককে পিটিয়েছে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা। সোমবার বিকেলে কুমারখালী পৌরসভার মোহাম্মদীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
মারপিটের শিকার ব্যক্তিরা হলেন, ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আলহাজ জুবায়ের, সহকারী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা মোতালেবুর রহমান ও হাফেজ মো. মিজবা উদ্দিন। তাঁদের মধ্যে মিজবা উদ্দিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকরা বলাৎকারের ঘটনা অস্বীকার করে বলছেন, মাদ্রাসাটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এমন কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি। অহেতুক ওই ছাত্রের বাবা ও চাচা মাদ্রাসায় ঢুকে সকল শিক্ষককে মারপিট শুরু করেন।
ওই ছাত্রের বাবা বলেন, ‘দুদিন আগে আমার ছেলেকে হুজুর মিজবা উদ্দিন বলাৎকার করেছেন।
সোমবার দুপুরে ছেলে বাড়ি এসে ঘটনাটি জানালে ক্ষোভে উত্তেজিত হয়ে হুজুরকে মারধর করেছি। থানায় মামলা করা হবে। ‘
অভিযোগ অস্বীকার করে ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব জুবায়ের বলেন, ওই ছাত্র পড়েন চারতলায়। আর পাঁচ তলার শিক্ষার্থীদের মারধর করত। আমরা নিষেধ করলেই ওই ছাত্র বাড়িতে বলে দেয়। আর বাবার ভয় দেখাতো। সোমবার সকালেও অন্যান্য ছাত্রদের মারধর করে এবং তাকে নিষেধ করা হলে হুমকি দিয়ে বাড়িতে চলে যায়। এরপর বিকেলে ওর বাবা ও চাচা এসে মারপিট শুরু করে দেন।
সহকারী শিক্ষক মিজবা উদ্দিন বলেন, ‘কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অথচ মিথ্যে অজুহাতে আমাকে রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন। বিষয়টি পরিচালনা কমিটিকে জানানো হয়েছে।
মাদ্রাসাটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব মো. আব্দুর রহিম বলেন,ছেলেটি সকালে শিক্ষকদের মারপিটের হুমকি দিয়েছিল। আর বিকেলেই বাপ-চাচা দিয়ে মারপিট করেছে। মাদ্রাসায় কোনো খারাপ ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার কমিটির সবার সাথে বসা হবে। বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কি করা যায়। ‘
কুমারখালী থানার ওসি মো. মহসীন হোসাইন মুঠোফোনে বলেন, ‘সারাদিন সরকারি কাজে বাইরে ছিলাম। এমন ঘটনা জানা নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‘

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024